সুভাষ সাহা হইতে সাবধান !

130
Spread the love

subash বনপা ডটনেট,ঢাকা : বনপা’র বন্ধুরা জানেন বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন (বনপা)’র নির্বাচন ও সাধারন সভা গত ২১ আগষ্ট–২০১৫ শুক্রবার বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি(এফপিএবি) এর মিলনায়তন পল্টন-২,ঢাকায় জকজমকপুর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের বনপা’র নির্বাচন ও সাধারন সভায় সারা দেশ থেকে দুইশতাধিক নিউজ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
বনপা’র সাধারন সভার অনুরোধে নির্বাচন কমিশন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫১ জন থেকে বর্ধিত করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট বনপা’র কার্যনির্বাহী কমিটি’র নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।
বনপা’র নির্বাচন -২০১৫ এর নির্বাচন কমিশনার লায়ন কাজী গোলাম হোসেন ৭১ জনের মধ্যে ৪৬ জনের নাম আগামী দুই বছরের জন্য ঘোষণা করেন।
বনপা’র কার্যনির্বাহী কমিটি’র বাকি ২৫ জনের নাম ৩০ আগষ্ট উপ নির্বাচনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে বলে বনপা’র নির্বাচন-২০১৫ এর কমিশনার লায়ন কাজী গোলাম হোসেন নির্বাচন ও সাধারন পরিষদের সদস্যদের সভা চলাকালীন ঘোষণা দেন।
নিউজ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদকদের তৃণমুল পর্যায়ের প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন (বনপা)’র উপ নির্বাচনের জন্য ৩০ আগষ্ট তারিখ নির্ধারন করা ছিলো। বনপা’র নির্বাচন কমিশনারের অনুমতি ছাড়া সংগঠনের ডেকোরাম লংঘন করে কাউকে এবং সভাপতিকেও না জানিয়ে ঘোষিত ৪৬ জনের ভিতর মাত্র তিনজন সদস্যকে নিয়ে বনপা’র নবনির্বাচিত সাধারন সম্পাদক সুভাষ সাহা হঠাৎ ২৫ আগষ্ট তার নিজস্ব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে সভা আহবান করে বসলেন, যাহা সংঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক সাধারন সম্পাদকের এখতেয়ার বহির্ভুত ও ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে নির্বাচনের ঠিক চার দিনের মাথায়।
২৫ আগষ্ট নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বনপা’র সাধারন সম্পাদক সুভাষ সাহা’র মালিকাধীন বিষেরবাঁশী ডটকমে তারই ইচ্ছা মাফিক সংবাদ শিরোনাম করে সংবাদ পরিবেশন করা হয় বনপা’র নির্বাচনোত্তর পর্যালোনা সভা। বনপা’র উপ-নির্বাচন শেষ না করে এধরনের সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে অযৌক্তিক ও সংগঠনের শৃংখলা ভংঙ্গ। একে বলে, একে চুরি তার ওপরে সিনাজুড়ি।
বিষেরবাঁশী ডটকমে এধরনের সংবাদ প্রকাশের পর সারা দেশ থেকে তৃণমুল পর্যায়ের অনলাইন নিউজ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদকরা বনপা’র মিডিয়া উইং,নির্বাচন কমিশনার ও সভাপতি’র নিকট খুদে বার্তা,ই-মেইল ও মুঠোফোনে তারা তাদের ক্ষুদ্ধ মনোভাব ব্যক্ত করেন। সুভাষ সাহা’র অপকর্মকৌশল ও প্রতিক্রিয়া জানতে বনপা’র সভাপতি’র অনুমতি ক্রমে ২৬ আগষ্ট বনপা’র জরুরী সভা আহবান করা হয়। বনপা’র সাধারন সম্পাদক সুভাষ সাহা সভায় উপস্থিত না হয়ে সভাপতি’র মঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠান যে,বনপা’র সভায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না কারণ জাতীয় যাদু ঘরে তাকে নজরুল গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জাতীয় কবি পদক প্রদান করা হচ্ছে। সুভাষ সাহা’র জাতীয় কবি পদক পাওয়ার সংবাদ ২৬ আগষ্ট বনপা ডটনেট এ প্রকাশ করা হয়।
২৬ আগষ্ট বনপা’র সভায় সুভাষ সাহা’র অসাংগঠনিক ও বনপা’র বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্রমুলক কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার অভিযোগ লিখিত আকারে উত্থাপন হওয়ায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ও বনপা’র গঠনতন্ত্রের ১৩ নং ধারা মোতাবেক সুভাষ সাহাকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়।
বনপা’র গঠনতন্ত্রের ১৩ নং ধারার (ক) অনুচ্ছেদ মোতাবেক সিনিয়র সহসভাপতি রাজু আহমেদ দীপুকে আহবায়ক করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত তদন্ত কমিটি তদন্তপূর্ব্বক সুভাষ সাহা’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ১০ কার্যদিবসের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদন নির্বাহী কমিটির নিকট জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
সভায় বনপা’র কার্যক্রম স্বাভাবিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য সহসভাপতি অধ্যাপক আকতার চৌধুরীকে বনপা’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সুভাষ সাহা সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতি অনুগত্য না দেখিয়ে বিরুপ ধারণা পোষণ করে বনপা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শামসুল আলম স্বপনের বিরুদ্ধে ২৭ আগষ্ট বিষেরবাঁশী ডটকমে সংবাদ শিরোনাম বনপা’র কিসসা: আজীবন সভাপতি হতে না পারায় স্বপনের যত ক্ষোভ ? উক্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর সুভাষ সাহা’র আসল চেহারা বনপা’র সকল সদস্যদের কাছে পরিস্কার হয়ে যায়।
২৮ আগষ্ট সুভাষ সাহা তার ফেইস বুক এ ষ্ট্যাটাস দেন তিনি জাতীয় পর্যায়ে অনলাইন ব্যাক্তিদের নিয়ে ভাল কিছু করার উদ্যোগ নিয়েছেন ইত্যাদি ইত্যাদি।
২৯ আগষ্ট সুভাষ সাহা তার নিউজ পোর্টাল বিষেরবাঁশী ডটকমে আবারও বিষ ঢালেন বনপা’র সভাপতি’র শামসুর আলম স্বপনের বিরুদ্ধে । এবার সংবাদ শিরোনাম একটু ভিন্ন তথ্যমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে বনপা’র নেতা স্বপনের খায়েশ পুরণ হলো না । যিনি কি না বনপা’র রক্ষকের দায়িত্ব পালন করার কথা সে সুভাষ সাহা ভক্ষকের দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেন। শুরু করেন বনপা’র বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা। একই সাথে ২৯ আগষ্ট আরো একটি সংবাদ প্রচার করা হয় সুভাষ সাহা মালিকানাধীন বিষেরবাঁশী ডটকমে সংবাদ শিরোনাম অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও সংবাদকর্মীদের জন্য সুখবর যাহা বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন (বনপা)’র জন্য সুখময় সংবাদ নয়।
গত ২৯ আগষ্ট সুভাষ সাহা রাতা – রাতি নিজেই সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ও নিজেই সভাপতি বনে গেলেন তার নিজস্ব অফিসে বনপা’র সদস্য নয় এমন ধরনের ৭/৮ জনকে নিয়ে তথাকথিত বনপা’র সভা করেন । আবার সে দিনই বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন (বনপা)’র বিরুদ্ধে তার নিউজ পোর্টাল বিষেরবাঁশী ডটকমে সংবাদ শিরোনাম করেন বনপা’র সভায় সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ, যে সভায় বনপা’র কোন সদস্য উপস্থিত হননি তো কারা সুভাষ সাহাকে সভায় অনুরোধ করলেন সে ব্যাখা তিনি তার প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করেনি । বলা যেতে পারে সেটি ছিল বানোয়াট বা মিথ্যা ভিত্তিহীন মনগড়া সংবাদ।
গত ১ সেপ্টেম্বর বনপা’র সভায় উপস্থিত থাকার জন্য সভাপতি’র পক্ষ থেকে ও সিনিয়র সহসভাপতি রাজু আহমেদ দীপু আহবায়ক,তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানিয়ে সুভাষ সাহাকে ই- মেইল, খুদে বার্তা ও বনপার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন বেলার তাকে তার মুঠোফোনে সরাসরী যোগাযোগ করে সভাস্থলে ও তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত হতে অনুরোধ করেন, কিন্তু সুভাষ সাহা ঔদ্ধ্যতপূর্ণ ও অসৌজন্যমুলক আচরন করায় সভায় উপস্থিত সকল সদস্যরা সুভাষ সাহাকে সাংগঠনিক ভাবে বহিস্কারের দাবি সভার সভাপতি’র নিকট তুলে ধরেন।
সুপরিকল্পিত ভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা, সংগঠনকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা, বনপা’কে ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র করা এবং তার নিউজ পোর্টাল বিষেরবাঁশী ডটকমে বনপা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও অন্য নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কুৎসা ও ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করায় বনপা’র গঠনতন্ত্রের ১৩ নং ধারার (গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারন সম্পাদক পদসহ সাধারন সদস্য পদ থেকেও সুভাষ সাহাকে স্থায়ী ভাবে বহিস্কার করা হয়।
বনপা থেকে সাধারণ সদস্য পদ হারানো বিষেরবাঁশি বাজানোর ওস্তাদ, ক্ষমতালোভী,সুবিধাবাদী, বদমেজাজি ও স্বঘোষিত ধনাঢ্য ব্যক্তি সুভাষ সাহা গত ৩ সেপ্টেম্বর তারই গুনগান গাওয়ার প্রচার পত্র সাপ্তাহিক বিষেরবাঁশী ডটকম ও নিউজ পোর্টাল বিষেরবাঁশী ডটকমে আজব এক সংবাদ শিরোনাম করে বনপা’র সঙ্গে মোস্তফা জাব্বার আর নেই, প্রথমত যে সু-বাঁশকে বনপা থেকে স্থায়ী ভাবে বহিস্কার করা হল তিনি নিজেই অন্যের হয়ে ওকালতি করছেন, দ্বিতীয়ত তিনি কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার স্যারের নামটি পর্যন্ত বিকৃত করে তার বেনাম্বারী সংবাদে যুক্ত করে সাংবাদিকদের নাম ডুবিয়েছেন, তৃতীয়ত আমাদের দেশে এত প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়া থাকতে সু-বাঁশ সাহা কোন সূত্রের কথা উল্লেখ না করে কোন তথ্য প্রমান ছাড়া বলে বসলেন বনপা’র সঙ্গে মোস্তফা জাব্বার আর নেই ! ৪র্থত সুভাষ সাহা’র অপকর্মে সচিত্র প্রতিবেদনসহ সংবাদ প্রকাশ করায় আনন্দ সংবাদ মিডিয়ার প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার স্যারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন,পঞ্চমত জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার স্যারের সাথে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইস বুকে পোষ্ট করে সবার কাছে ধোয়া তুলসী পাতা সাঁজার শেষ অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়,৬ষ্ঠত জাতীয় প্রেস ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ালে বসে চা খেলে যে কেউ নামজাদা সাংবাদিক হয়ে যায় না, প্রবাদে আছে কয়লা ধুলে ময়লা যায় না, যাঁর সর্বাঙ্গে দাউদ এখন সে বেচেঁ দাউদের মলম, সপ্তমত আপন ভাই হয়ে যে কি না ছোট ভাই,ভাইয়ের বৌ,ভাই ঝি ও আপন রক্তের বিরুদ্ধে ডজন খানেক মিথ্যা মামলা ও নিউজ পোর্টাল বিষেরবাঁশী ডটকমে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেন সে ব্যক্তি সাংবাদিকতার সাথে থাকার নৈতিক অধিকার অনেক আগেই হারিয়েছেন । এছাড়া জন্মদাতা পিতার মৃত্যুর পর যে ব্যক্তি নিজেদের পরিবারে নেতৃত্ব দেয়ার ন্যুনতম যোগ্যতা নেই। পৃথিবীর আদি সংগঠন হচ্ছে পরিবার, সুভাষ সাহা সে সংগঠন নিজের পরিবারকে নেতত্ব বা সু-সংগঠিত করতে ব্যাথর্, সে সু-বাঁশ কি করে সারা বাংলাদেশের অনলাইন নিউজ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদকদের তৃণমুল পর্যায় থেকে প্রাণপ্রিয় জাতীয় পর্যায়ের সংগঠন বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন (বনপা)’র নেতত্ব দিবেন ?
বনপা থেকে স্থায়ী ভাবে বহিস্কার হওয়া সুভাষ সাহা ৪ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইস বুকে ষ্ট্যাটাস দেন বনপা’র (সুপ্রিয় বন্ধুরা হতাশার মেঘ কেটে যাচ্ছে, প্রতি শনিবার বিকাল ৫টার পর চা’র আড্ডায় আপনিও শরিক হোন,সুভাষ সাহা,জেনারেল সেক্রেটারী,বনপা)।
বনপা’র নেতৃবৃন্দ জানান সুভাষ সাহা বনপা থেকে স্থায়ী ভাবে বহিস্কৃত একজন ব্যক্তি,বনপা’র জেনারেল সেক্রেটারী লিখার তার কোন নৈতিক অধিকার নেই। বনপা’র গঠনতন্ত্রে “জেনারেল সেক্রেটারী ” বলে কোন পদও নেই । তিনি এখন বনপা’র কেউ নন।
বনপা’র সদস্যরা জানান, লোকটির লজ্জা-শরমের বালাই নেই। ভদ্রলোক হলে বহিষ্কার হওয়ার পর এ নিয়ে কোন কথা না বলে চুপচাপ থাকতেন। শনিবারের চায়ের আড্ডার দাওয়াত দেয়া আর নিউজ পোর্টাল মালিকদের স্বার্থে আন্দোলন করা এক কথা নয়।
সুতরাং সুভাষ সাহা হইতে সাবধান ! সু-বাঁশ ক্যান্সারে যাতে কেউ আক্রান্ত না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বনপা’র সকল সদস্য ।


Spread the love