সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা

98
Spread the love

 mনারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আল-আমিনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিহত বিল্লাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে। ডেমরার আমুলিয়া এলাকার জঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত আল-আমিন ফতেপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় বিল্লাল হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আল-আমিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ফতেপুর দড়িকান্দি এলাকায় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা নিহত বিল্লাল চেয়ারম্যানের ছেলে মাসুমের নেতৃত্বে মোসলেউদ্দিন, মিন্টু, লিটন, ফরিদ, আমির হোসেন, আসলাম সোহেল, সাইদুলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল লাঠিসোটা নিয়ে আল-আমিনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আল-আমিনকে পিটিয়ে হাত-পা ও বুকের পাঁজর ভেঙে দেয়। পরে আল-আমিনকে হামলাকারীরা চিকিৎসার নামে তুলে নিয়ে যায়। নিহত আল-আমিনের চাচাতো ভাই মোবারক হোসেন জানান, আল-আমিন কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মাসুম ও তার লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়ে হাত-পা ও বুকের পাঁজর ভেঙে দেয়। তাছাড়া বাম চোখ উপড়ে ফেলে। হামলার পর তারা আল-আমিনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ আমুলিয়া জঙ্গলে পাওয়া যায়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কাদের পিপিএম জানান, আল-আমিনের লাশ আমুলিয়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মিডফোর্ট হাসপাতালে লাশ রয়েছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ জুন বিকেলে জমি নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয় সনমান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেনকে। পরে তার ছেলে মাসুম বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ১২ জনের নামে ১৯ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। চার্জশিটে আল-আমিনের নাম রয়েছে।


Spread the love