হকির সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহ পদত্যাগ

68
Spread the love

9নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের হকি অঙ্গনে বিরাজমান সংকট কাটতে শুরু করেছে, এমন আভাস পাওয়া গিয়েছিল গত বুধবারই। শুক্রবার তার বাস্তবায়নও হলো। যাকে নিয়ে আবর্তিত হচ্ছিল মূল সংকট, সেই খাজা রহমতউল্লাহ সরে দাঁড়িয়েছেন হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর ফ্যালকন হলে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তিনি পদত্যাগ করেন। ফেডারেশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আবদুস সাদেক। বৈঠকে প্রিমিয়ার হকি লিগের দলবদল নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের ১৩-১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে খেলোয়াড়দের বহুল প্রত্যাশিত দলবদল। এমন সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিন পর হকিতে বইতে শুরু করেছে স্বস্তির বাতাস। খেলোয়াড়রাও বেশ উৎফুল্ল। শুক্রবার হকি ফেডারেশনের সভাপতি এয়ার মার্শাল আবু এসরারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। যেখানে হকির চলমান সংকট উত্তরণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে মোহামেডান, মেরিনার্স, অ্যাজাক্স ও বাংলাদেশ স্পোটিংয়ের মতো বিদ্রোহী ক্লাবগুলো। ডিসেম্বরের দলবদলে অংশ নেবে তারাও। খাজা রহমত উল্লাহ জানান হকির স্বার্থেই সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তবে হকির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে না, তিনি দায়িত্ব পালন করবেন সহ-সভাপতির পদে। নতুন সাধারণ সম্পাদক সাবেক জাতীয় হকি খেলোয়াড় আব্দুস সাদেক বলেন, ‘হকিতে চলমান অচলাবস্থা নিরসনের জন্যই সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েছি। আশা করি হকি তার পুরনো রূপে ফিরে আসবে।’ অন্যদিকে সাবেক জাতীয় হকি তারকা রবিউল ইসলাম কামাল বলেন, ‘আমরা চাই সব দলের অংশগ্রহণে প্রিমিয়ার ডিভিশন হকি লিগটি অচিরেই আয়োজন করবো। আর এর মাধ্যমেই হকির পুরনো রূপ ফিরিয়ে আনতে পারবো।’ এই বৈঠকের পর জাতীয় দলের ক্যাম্প নিয়ে উদ্ভূত সংকটও কেটে গেল। দলবদলের দাবিতে এসএ গেমসে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুশীলন ক্যাম্প বর্জন করছিলেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়েরা। শুক্রবারই বিকেএসপির এই ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার কথা খেলোয়াড়দের।


Spread the love