হায়রে এনজিওর দল কেরে নিলো সর্বশেষ সম্বল

103
Spread the love

DDS 171uiতাজউদ্দিন আহমেদ তাজুল : হায়রে এনজিওর দল কেরে নিলো তার সর্বশেষ সম্বল । আর এই ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার ১২ নং ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের (৮ নং ওয়ার্ড) জোড়গাছা মধ্য উত্তর খোসকাহাটা বিল ধ্যার পাড়ার ভোলা সরকারের পরিবারে । সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ভোলা সরকার (৫০) নামের ব্যক্তিটি জোড়গাছা গ্রামের পূর্ব উত্তর পাড়ার মৃত মাজেম সরকারের ছেলে । তিনি একজন দিনমজুর ও ভূমিহীণ কৃষক । ভূমিহীণ কৃষক হওয়ায় তিনি প্রথমে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সংসারের চালিকা শক্তি বৃদ্ধি করার মনোনিবেশ করেন । কিন্তু পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হওয়ায় তার একার উপার্জিত আয় দিয়ে সাপ্তাহিকভাবে এনজিওর কিস্তি চালানোর সমস্যা হয়ে পড়ে । কারন সপ্তাহে টাকা তার লাগবে এক হাজার কিন্তু আবহাওয়া ও শারীরিক অসুস্থ্যতার কারনে সে কাঙ্খীত টাকা জগাতে অক্ষম হয়ে পড়ে এবং অন্য এনজিও থেকে পূণরায় টাকা তুলে পূর্বের কিস্তি চালাতে শুরু করে । কিন্তু এনজিওর মাঠ কর্মীদের একটা দোষ আছে তাদের এনজিওর লাভের জন্য ঐরকম ব্যক্তিদেরও টাকা ঋণ দিয়ে লোভ দেখালে এক প্রর্যায়ে প্রায় সবগুলো এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করে , যেমনঃ আশা , গ্রামীণ ব্যাংক , টিএম এস এস , গ্রাম বিকাশ সংস্থা , একটি বাড়ি একটি খামারসহ  বিভিন্ন এনজিও । এগুলোর কিস্তি চালাতে অক্ষম হয়ে পড়লে এনজিওর মাঠ কর্মীরা কিস্তি আদায়ের জন্য বাড়িতে আসলে সম্মান রক্ষার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছ থেকে  লাভের উপর টাকা নিয়ে এনজিওর কিস্তিদেন এবং এনজিও থেকে পূণরায় টাকা তুলে লাভের অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করলে আসলেও আসল টাকা থেকেই যায় । এরকমভাবে লাভের টাকা জ্যামিতিক হাড়ে বাড়তে থাকলে একদিন এনজিও ও সুদের টাকা দেওয়া ব্যক্তিদের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যান এবং কিছুদিন আত্মগোপন রাখেন । কিন্তু গ্রামে তার আত্মীয় স্বজন থাকায় তাদের উপর এনজিওর মাঠকর্মী ও উর্দ্ধতন কর্মাকর্তা বার বার আসলে আত্মীয় স্বজনরা তাদের সম্মান রক্ষার জন্য আত্মগোপনকৃত ভোলা পরিবারের অনুসন্ধান করে বাড়িতে নিয়ে আসে । পরক্ষণে জানতে পেরে বিভিন্ন এনজিও ও লাভের উপর টাকা দেওয়া ব্যক্তিদয় বাড়িতে ভীর জমায় এবং টাকা পরিশোধ করার জন্য সামনজারি করে । পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে একমাত্র মাথা গোজানোর ৭ শতাংশ জায়গা ও চৌচালাঘর বিক্রী করলেও এনিজিওর টাকা পরিশোধ হয়না । রির্পোটটি লেখা পর্যন্ত তিনি এখন বাড়ি ছেড়ে আবার আত্মগোপন রেখেছেন । এই মর্মান্ত্রিক নজীরবিহীণ দৃশ্য দেখে প্রতিবেশীরা আক্ষেপ করে বলেন হায়রে এনজিও কেরে নিলো সর্বশেষ সম্বল ।


Spread the love