হিলিতে জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট

20
Spread the love

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : আর মাত্র কয়েকদিন পর মুসলমানদের বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদুল ফিতর। সরকার ঘোষিত দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে মার্কেট খোলার অনুমতি পেয়ে জমে উঠেছে দিনাজপুরের হিলিতে ঈদের কেনাকাটা। মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভির।
হিলি বাজারের মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা। দোকানিরা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য নতুন নতুন রঙ বেরঙের পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন দোকানের সামনে ও ভিতরে। যেন দম ফেলার সময় নেই বিক্রেতাদের।
হিলি বাজারের জননী গার্মেন্টস, লাবণ্য গার্মেন্টস, মা গার্মেন্টস, শ্যামলী গার্মেন্টস, মিতা গার্মেন্টস, বৃষ্টি গার্মেন্টস এবং ঘুড়িঘরসহ বিভিন্ন ছোট-বড় মার্কেটে ক্রেতাদের আনাগোনা লক্ষনীয়।
মার্কেট করতে আসা আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদের আর বেশি সময় নেই । তাই তাড়াতাড়ি কেনাকাটা শুরু করেছি। মা-বাবার জন্য এবং স্ত্রীসহ ছেলে-মেয়েদের কাপড় কিনলাম।
সরকারি চাকুরিজীবি ওয়াহিদা খানম জানান, দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে মার্কেট বন্ধ ছিলো, ঈদের জন্য সরকার মার্কেট খুলে দিয়েছে তাই কেনাকাটা করতে এসেছি। ছেলে-মেয়েদেরসহ শ্বশুড়-শ্বশুড়িদের পোশাক কিনছি।
ভ্যানচালক রাব্বানী বলেন, লকডাউনে তো তেমন কামাই ধান্দা হয়নি। কিন্তু ছেলে-মেয়েদের জন্য কিছু কিনতে হবে। ঈদের দিন নতুন কাপড় না কিনে দিলে, নিজেরি খারাপ লাগবে।
হিলি বাজারের জননী গার্মেন্টস মালিক জাকারিয়া রহমান বলেন, লকডাউনে তো এতো দিন মার্কেট খুলতে পারিনি। সামনে ঈদ তাই দোকান খুলতে দিয়েছে সরকার। তবে দোকান খুলতেই বেচাকেনা ভাল হচ্ছে।
জামান গার্মেন্টসের মালিক জামান বলেন, সকাল থেকে ক্রেতারা দোকানে ভির করছেন। বেচাকেনা ভাল তবে ক্রেতারা একটু দর কষাকষি করছেন।
হিলি খাসমহল হাট ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আরমান আলী বলেন, হিলি হাট ও বাজার একটা পুরনো বাজার। এখানে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে ক্রেতারা কেনাকাটা করতে আসে। আমরা এখানে সব সময় ব্যবসায়ী পরিবেশ তৈরি করে রাখি। কোন রকম জামেলা পোহাতে হয় না ক্রেতাদের।
হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত জানান, লকডাউনে মার্কেট বন্ধ থাকার পর আবারও তা সরকার খুলে দিয়েছেন। তবে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ক্রয়-বিক্রয় করতে হবে জনসাধারণকে। আমরা প্রতিনিয়ত বাজারগুলোতে জনসচেতনতা জন্য প্রচার ও প্রচরণা করে আসছি।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-আলম জানান, সরকার ঘোষিত নির্দ্রিষ্ট সময়ে দোকানপাট খোলা রাখতে হবে। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। নির্দ্রিষ্ট মুল্যে ক্রয়-বিক্রয় এবং ভেজালমুক্ত খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করতে হবে। প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলাচ্ছি।


Spread the love