হুমকির মুখে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনুয়া বেইলী ব্রিজ

70
Spread the love

ghjk copyঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে নির্মাণাধীন সুপ্রিয় জুট মিলস লিমিটেডের জায়গায় মাটি ভরাট করার জন্য শহরের সেনুয়া নদীর উপর শত বছরের পুরাতন বেইলী ব্রিজের নিচ থেকে ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে সেনুয়া বেইলী ব্রিজটি।
জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও শহরের উত্তর দিকে অবস্থিত সেনুয়া নদী। আর এই নদীর উপর রয়েছে একটি বেইলী ব্রিজ। ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কর্তৃপক্ষ ব্রিজের দু’পাশে “ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ” সাইবোর্ড দিয়েছেন। কিন্তু পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সুপ্রিয় গ্রুপের সত্ত্বাধিকারী বাবলুর রহমান গত ৬ দিন থেকে ব্রিজের নিচে ড্রেজিং মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছেন। নদীর বালু উত্তোলন করে তিনি সুপ্রিয় জুট মিলস লিমিটেডের নির্ধারিত জায়গার খাল ভরাট করছেন। বালু উত্তোলনের কারণে ব্রিজটি হুমকির মুখে পড়ছে। যে কোন সময় ব্রিজটি ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। বালু ভরাট কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার রতন সরকার বলেন, প্রতি বর্গফুট বালু তোলার জন্য এক টাকা ২০ পয়সা দেয়া হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে বালু তোলার কাজ শেষ হবে। ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, সেনুয়া নদের ওপর ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয় বেইলী ব্রিজটি। এখন ব্রিজটির অবকাঠামো একবারেই নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। রিকশা উঠলেই এটি কেঁপে ওঠে। এর নিচ থেকে যেভাবে বালু তোলা হচ্ছে তাতে যে কোনো সময় ব্রিজটি ভেঙে যেতে পারে। এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী শাহানুর বলেন, বেইলী ব্রিজটি অনেক পুরনো। এর অবকাঠামোও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। ব্রিজটির নিচ থেকে বালু তোলা হলে এর স্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সুপ্রিয় জুট মিলস লিমিটেডের সত্ত্বাধিকারী বাবলুর রহমান জানান, নদীটি তাদের নিজস্ব জায়গায় পড়েছে। তাই তিনি নিজের জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করছেন। নদী থেকে বালু উত্তোলনে অবৈধ কী না এ ব্যাপারে তিনি জানান, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরের কাছে অনুমতি নেয়ার পর বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছেন। তবে তারা সেতুর নিচ থেকে বালু তুলছেন কিনা তা তিনি জানেন না। তবে ব্রিজের নিচ থেকে বালু তুলতে নিষেধ করা হয়েছিল। সেখানে লোক পাঠিয়ে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Spread the love