২৮ বছরের মধ্যে ২৮দিনের জন্যও চালু হয় নি তাহিরপুরে পাবলিক লাইব্রেরীর রুপের বাহার

144
Spread the love

7জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া,সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার নির্মিত পাবলিক লাইব্রেরী টি কখনো তালাবদ্ধ,কখনো অফিসার্স ক্লাব আবার মিটিংয়ের স্থান হিসাবেই দেখা যায়। দেখা যায় নি কখনো পাবলিক লাইব্রেরী হিসাবে। যার ফলে একই অঙ্গে রুপ এই দেখছে উপজেলা বাসী। তাহিরপুর উপজেলার জ্ঞানের আলোর ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পাবলিক লাইব্রেরী চালুর লক্ষে ২৮বছর আগে একটি ভবন নিমার্ন করা হয়। কিন্তু ২৮ বছরের মধ্যে ২৮দিনের জন্যও চালু হয় নি পাবলিক লাইব্রেরী হিসাবে। নানান সমস্যার কারনে দেখিয়ে পাঠকদের জন্য উন্মক্ত করতে পারে নি সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষ। এ পযর্ন্ত যারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন তারা প্রথমে উদ্যোগ নিলেও পরে এই উদ্যোগ থেমে যায়। ২০০২ থেকে ২০১৩সাল এক যুগ ধরে পাবলিক লাইব্রেরী কে অফিসার্স ক্লাব হিসাবে ব্যবহৃত করা হয়েছিল। পরে তালাবদ্ধ ছিল কিছু দিন পরে আবার অফির্সাস ক্লাব হিসাবে চালু হয়। এখন অফির্সাস ক্লাব হিসাবে ও মিটিংয়ের স্থান হিসাবে চালু আছে। উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়,উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে পাঠাগারের সুবিধা নেই। পাঠাগার না থাকায় উপজেলা সদরে নির্মিত পাবলিক লাইব্রেরী টি ছিল শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনসাধারনের একবমাত্র ভরসা। কিন্তু পাবলিক লাইব্রেরী টি চালু না থাকায় উপজেলার স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী বই পড়ার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। খোঁজ নিয়ে জানাযায়-১৯৮৭ সালে পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্টার জন্য ওই ভবনের নির্মান কাজ সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে তা আর চালু করা হয় নি। ১৯৯৩ সালে এটি চালু করার লক্ষ্যে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে সভাপতি করে ১জন সদস্য সচিব ও পাঁচ জনকে সদস্য করে গঠিত করা হয় পরিচালনা কমিটি। কিন্তু অর্থ সংকটের কারনে দেখিয়েই সেই উদ্যোগ ও ব্যর্থ হয়। উপজেলার সচেতন মহল মনে করেন-সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অবহেলা,আন্তরিকাতা ও উদাসীনতার কারনেই পাবলিক লাইব্রেরী টি আজও আলোর মুখ দেখতে পারে নি। শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান ভুঁইয়া,স,ম খোকন বলেন-পাবলিক লাইব্রেরী চালু হলে স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থীরা ও হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলা বাসীর কপালে একটু হলেও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাওয়া যেত। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের একান্ত সহযোগিতায় ও উদ্যোগ নিলে পাবলিক লাইব্রেরী টি আলোর মুখ দেখবে বলে মনে করে তাহিরপুর উপজেলা বাসী। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন-প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় পাবলিক লাইব্রেরী চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে গনগন্ত্রাগার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন- শুধু পাঠ পুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না পাঠ্য বই ছাড়াও অন্যান্য বইয়ের মধ্য দিয়ে মানুষ জ্ঞান অর্জন করতে পারে। তার জন্য উপজেলা সদরে নির্মিত পাবলিক লাইব্রেরী টি চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করব।


Spread the love