115
Spread the love

05চন্দন কুমার আচার্য সিরাজগঞ্জ: বর্ষারানী সিংহাসন ছাড়লেও বৃষ্টি এখনও ঝর ঝর ঝরছেই। কখনো থেমে থেমে, আবার কখনো একটানা মুষলধারে হচ্ছে ভারী বর্ষণ। বছরের অন্য সময়গুলোতে ছাতা মেরামতের কাজ না থাকলেও বর্ষা শুরু থেকে শেষ অবধি পুরোদস্তর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন ছাতা কারিগররা। একেজন কারিগর রোজ ৫০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জনও করে থাকেন। তবে বছরের অন্য সময়ে অনেক কারিগরই ছাতা প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক হারে ছাতা তৈরি করে থাকেন। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা সহ আরও ৮টি উপজেলার হাটে-বাজারে-বন্দরে ছাতা মেরামতের কাজে ব্যস্ত থাকা কয়েকজন কারিগরের সাথে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। পৌরসদরের বাজার সংলগ্ন ওয়াপদ রোডের উপরে এবং শাহজাদপুর উপজেলা সদর, সিরাজগঞ্জ সদর, এনায়েতপুর থানার কেজি মোড়, বেলকুচি উপজেলা কান্দাপাড়া বাজার, রায়গঞ্জ থানার বাজার, ভুইয়াগাঁতী, সলঙ্গা থানায় ছাতা মেরামতের কারিগররা ব্যাপক ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে।  উল্লাপাড়া উপজেলার ছাতা কারিগর আব্দুল গফুর বলেন, এখন ছাতা মেরামতের ভরা মৌসুম। ছাতার সলা পাল্টানো থেকে শুরু করে ছাতার ভিতরের কাজ করা  কাপড় পাল্টানো কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা মেরামতের কাজে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। আয়ও হচ্ছে ভালো। প্রায় ২০-২৫ বছর ধরে তিনি এ কাজের সাথে জড়িত। এছাড়াও অনেকেই ছাতা মেরামতের কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন।  সদর থানার ছাতা কারিগর আলমগীর হোসেন ও হালিম উদ্দিন জানান, সিরাজগঞ্জ  পৌরসদর বাজারসহ পার্শ্ববর্তী, হোসেনপুর, এস,এস,রোড, বড়পুলের এপাড়া ও পাড় ও বিভিন্ন এলাকায় হাট বসার দিন তারা ছাতা মেরামতের জন্য যান। বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দনগাঁতী গ্রামের ঋষিকেশ বলেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে এ পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন। তবে এখন মানুষ হয়েছে ভদ্রলোক ভাল ছাড়া ঘরে রেখেও অনেকে নতুন ছাতা ক্রয় করে থাকে। সে জন্যই অনেকেই এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।


Spread the love