রাহুল রাজ এর নাটক লেখার সেঞ্চুরি পূরন

18

নিজস্ব প্রতিনিধি : ব’ তে বঙ্গবন্ধু নাটক এর মধ্য দিয়ে নাট্যকার রাহুল রাজ পূরণ করলে নাটক লেখার সেঞ্চুরি। সমাজ সচেতনা মূলক ভিন্নধারার নাটকের পাশাপাশি রাহুল রাজ লিখেছেন রম্য, মুক্তিযুদ্ধ ও মঞ্চনাটকের সাড়াজাগানো পান্ডলিপি।
তরুণ এই লেখকের নাটক বাংলাদেশ টেলিভিশন সহ বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচার হওয়া পেয়েছে দর্শক প্রিয়তা। মূলত কোন কাননের ফুল নাটকের মধ্য দিয়ে দর্শক ভিন্নধারার এ নাট্যকারকে পরিচয় পায়। ২০০৮ সালে পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ জাতীয় নাট্যকারের পুরস্কার। কোলকাতা ও বাংলাদেশের জন্য লিখেছেন অনেক জনপ্রিয় নাটক। সম্প্রতি তার লেখা জল-জীবন নাটকটি কোলকাতায় আর্ন্তজাতিক নাট্য উৎসবে ব্যাপক প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। বন্ধ বন্ধু জন্মশত বার্ষিকিতে বঙ্গবন্ধুর জীবনের উপর লেখেছেন শিশু- তোষ নাটক ব’ তে বঙ্গবন্ধু। নাট্যকার রাহুল রাজ জানান, বঙ্গবন্ধুর নাটকের মধ্যে দিয়ে শতমত নাটক পূরণ করতে পেরে খুব ভাল লাগছে। ২০০৪ সাল থেকে নিয়োমিত নাটক লেখা শুরু করি। শতমত নাটক লিখতে পেরে খুব ভাল লাগছে। সবার ভালবাসা নিয়ে আগামীতেও সময়উপযোগী আরো নাটক লিখে যেতে চাই।
রাহুল রাজ পেশায় একজন সাংবাদিক। সংবাদ প্রচারে নিজে জড়িত থাকলেও নিজেকে রেখেছেন প্রচারের বাইরে। নাটকের পাশাপাশি লিখেছেন বহু জনপ্রিয় গান। দূরে কোথাও আছি বাসে, পাঙ্খা পাঙ্খা, হাড়ের বাক্স, পাবিরে খবর, বোরকা পরা মেয়ে, ও বন্ধু লাল গোলাপি, ভালোবাসার আগুণ জ্বেলে কেন তুমি চলে গেলে, অপরাধী, বৃষ্টি ঝরে যায় এর মত অসংখ্য জনপ্রিয় গানের গীতিকার তিনি। সেরা প্রেমের কবিতার জন্য ২০১৭ সালে তার লেখা নীল পদ্যের কষ্ট বইটি পায় জাতীয় লেখক পরিষদের বিশেষ পুরস্কার।
রাহুল রাজ আমৃত্যু লিখে বাংলা সাহিত্যে মূল্যবান অবদান রাখবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেছে তার শুভাকাঙ্খী ও ভক্তবৃন্ধ।