নন্দীগ্রামে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল সঙ্কট

10

জিল্লুর রহমান রয়েল, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রামে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল সঙ্কট দেখা দিয়েছে। নন্দীগ্রাম পৌর শহরের কোন ফার্মেসিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল পাওয়া যাচ্ছে না। ২৩শে মার্চ নন্দীগ্রাম পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। কয়েকটি ফার্মেসির বিক্রেতারা জানান, কোম্পানির সরবরাহের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সব হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল বিক্রি হয়ে গেছে। করোনাভাইরাসের কারণে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শেষ হয়ে গেছে স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল। কোম্পানি থেকে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তারা হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করতে পারছে না। এ কারণে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। আবার অনেক ফার্মেসিতে মাস্কও পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্রেতার অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে দুর্যোগ দেখা দিলে বেশি লাভের আশায় একটি অসাধু চক্র জরুরি জিনিসপত্র মজুত করে দাম বাড়িয়ে দেয়। আর এখন সেই সুযোগ গ্রহণ করেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। নন্দীগ্রাম পৌর শহরের স্কয়ার ফার্মেসি, মিম ফার্মেসি, সরকার ফার্মেসি, পিএম ফার্মেসি, বন্ধু ফার্মেসি, মাস্টার ফার্মেসি, রিয়ামনি ফার্মেসিসহ বিভিন্ন ফার্মেসিতেই পাওয়া যাচ্ছে না হ্যান্ড স্যানিটাইজার। হেক্সিসল কিনতে আসা কলেজপাড়ার তীর্থ সলিল রুদ্র বলেন, ২২শে মার্চ সন্ধ্যায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনতে বের হয়েছি। কিন্তু কোনো ফার্মেসিতে পাইনি। কবে পাবো তাও বলতে পারছে না ব্যবসায়ীরা। মিম ফার্মেসির বিক্রেতা মজনু আলী বলেন, চাহিদা বেশি থাকার জন্য আমাদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল শেষ হয়ে গেছে। কোম্পানিতে অর্ডার দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল বলেন, চাহিদা বেশি থাকার কারণে এ সমস্যা হতে পারে। তবে কোন ব্যবসায়ী মজুত করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।